বাজেট ঘোষণার পরদিনও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি
আজ শুক্রবার (১২ জুন) সকালে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘অভ্যন্তরীণ বাজারদর, খুচরা বাজার ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা অধিকার খতিয়ান’ এবং ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ, মূল্য পর্যবেক্ষণ ও ব্যবসায়ী কল্যাণ উইং’-এর বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে বাজেট পরবর্তী সবজির বাজারদরের এই বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরা হলো।
রাজধানীর মালিবাগ, রামপুরা ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকার ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দাম আগের সপ্তাহের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে। আজকের বাজারে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, গোল বেগুন প্রতি কেজি ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ৭০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং ঝিঙা ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতি কেজি বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ধন্দুল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতি পিস লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও মৌসুম না হওয়ায় বা অফ-সিজন থাকার কারণে দু-একটি সবজির দাম কিছুটা চড়া অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে টমেটো, যা প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে প্রতি কেজি শসা ১০০ টাকা এবং ঝাল ছড়ানোর কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মালিবাগ বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুর রহমান জানান, বাজেটের পরের দিন বাজারে এসে তিনি দামের দিক থেকে কোনো বড় পরিবর্তন দেখেননি। সবজির দাম বাড়েওনি আবার কমেওনি, যা সাধারণ মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তির। বাড্ডা বাজারের আরেক ক্রেতা সুলতান আহমেদও একই প্রতিধ্বনি করে বলেন, গতকাল বাজেট ঘোষণার পর বর্তমান সবজির বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।
এদিকে রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা ইয়াসিন আলি জানান, চলতি মাসের শুরুতে সবজির বাজারে যে ধরনের বাড়তি দামের চাপ ছিল, সেই তুলনায় বর্তমানে দাম অনেকটাই কমে এসেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বাজারে বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজেট বা অন্য কোনো কারণে আগামী দিনগুলোতেও সবজির বাজার নতুন করে উত্তপ্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
জান্নাত সকালবেলা
|