ভারতের নাগরিকত্ব প্রমাণিত, তবুও চাকরিতে বহাল শিক্ষক দীপক চন্দ্র
বিশেষ প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রমাণিত হলেও বহাল তবিয়তে স্বপদে রয়েছেন তিনি। তদন্তে তার ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ মিললেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সময়ক্ষেপণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত দীপক চন্দ্রের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নিশ্চিত হতে ভারতীয় হাইকমিশনে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাউশি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে ইতোপূর্বেই পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের তদন্তে দীপক চন্দ্রের ভারতীয় নাগরিকত্ব ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম থাকার প্রমাণ মিলেছে। জেলা প্রশাসকের পাঠানো সুপারিশের ভিত্তিতে মাউশি শুনানি ডাকলেও তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা না নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের উত্তরের অপেক্ষায় সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিযোগকারী প্রকাশ চন্দ্র সরকার জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রতিনিয়ত নিয়োগ বাণিজ্য করে সেই টাকা ভারতে পাচার করছেন। অন্যদিকে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনকে ভুল দাবি করেছেন। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতিমালায় কেবল বাংলাদেশী নাগরিকদের এমপিও সুবিধার বিধান থাকলেও বিদেশি নাগরিকত্বের অভিযোগযুক্ত এই শিক্ষকের বেতন-ভাতা অব্যাহত থাকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এআইএল/সকালবেলা