ইদানীং ডিম, মাছ খেতে পারছি না— মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি: জয়া

ইদানীং ডিম, মাছ খেতে পারছি না— মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি: জয়া

অনলাইন ডেস্ক: বয়সকে সংখ্যায় বন্দি করে রূপের জাদুতে দুই বাংলা মাতিয়ে রাখা জয়া আহসান তাঁর ফিটনেস ও সৌন্দর্যের জন্য সবসময়ই চর্চায় থাকেন। তবে এই চিরযৌবনা রূপের পেছনে রয়েছে তাঁর ভিন্নধর্মী এক জীবনদর্শন ও খাদ্যাভ্যাস। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী।

প্যাস্কিটেরিয়ান থেকে নিরামিষাশীর পথে: জয়া জানান, গত তিন বছর ধরে তিনি নিজেকে ‘প্যাস্কিটেরিয়ান’ (যারা মাংস বর্জন করে শুধু মাছ খায়) হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। তবে বর্তমানে তাঁর এই খাদ্যাভ্যাসেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। প্রাণী অধিকার বা ‘অ্যানিমেল রাইটস’ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাঁর মধ্যে এক ধরনের মানসিক অনুশোচনা জন্ম নিয়েছে।

জয়া বলেন, “ইদানীং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। চিকেন খেলে মনে হয় আমি রাস্তার চারপেয়ে বাচ্চাদের (কুকুর-বিড়াল) খাবার খেয়ে ফেলছি।” তবে শারীরিক সুস্থতার জন্য বিশেষ করে মেয়েদের পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণের পরামর্শও দেন তিনি।

শুটিং সেটের ‘জাতীয় খাবার’: ডায়েট নিয়ে কঠোর নিয়মের কথা শোনা গেলেও জয়া জানান, শুটিং সেটে একটি নির্দিষ্ট খাবার না পেলে তাঁর মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। জয়ার ভাষায়, “শুটিং সেটে শিঙাড়া, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ না দিলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। এটা আমাদের শুটিংয়ের জাতীয় খাবার।”

মায়ের হাতের চা ও কাঁচা খাবার: প্রতিদিন সকালে মায়ের হাতের এক কাপ দুধ চা জয়ার জন্য অপরিহার্য। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই কাঁচা সবজি ও খাবারের প্রতি তাঁর বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। অনেকে মজা করে তাঁকে ‘কাঁচা খাদক’ বললেও জয়া জানান, তিনি সবকিছু নয়, তবে অনেক কিছুই কাঁচা খেতে পছন্দ করেন।

বিলাসবহুল বিদেশি খাবার নয়, বরং পরিমিত দেশি খাবার আর সচেতন জীবনবোধই জয়া আহসানের সৌন্দর্যের অন্যতম গোপন চাবিকাঠি।

জান্নাত/সকালবেলা

মন্তব্য করুন