ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
অস্ট্রেলিয়ায় এএফসি নারী এশিয়ান কাপে খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত চলাকালে নীরব থাকায় নির্যাতনের আশঙ্কায় ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়েছেন ইরানের ৫ নারী ফুটবলার। শেষ পর্যন্ত তারা অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন এবং মানবিক দিক বিবেচনায় দেশটির সরকার তাদের আশ্রয় মঞ্জুর করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় আজ (১০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এ ঘোষণা দেন। আলবানিজ বলেন, ‘সাহসী এই নারীদের দুর্দশা অস্ট্রেলীয়দের ব্যথিত করেছে। তারা এখানে নিরাপদ এবং তারা মনে করতে পারে এটি তাদেরই ঘর।’
এর আগে, পুলিশ ওই ৫ ফুটবলারকে ইরানের সরকারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছ থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, আশ্রয় পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন জাহরা সারবালি আলিশাহ, মোনা হামৌদি, জাহরা গানবারি, ফাতেমেহ পাসানদিদেহ এবং আতেফেহ রামেজানিজাদেহ। বর্তমানে তারা পুলিশের নিরাপত্তায় একটি গোপন স্থানে রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ওই ৫ খেলোয়াড়ের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে আমি ইরানি নারী ফুটবল দলের ৫ খেলোয়াড়কে জানিয়েছি, তারা অস্ট্রেলিয়ায় নিরাপদে থাকতে পারে এবং এ দেশকে নিজেদের বাড়ি মনে করতে পারে।’
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জাতীয় সংগীত চলাকালে ওই ৫ ফুটবলার ঠোঁট মেলাননি, যা অনেকের কাছেই ইরানের শাসকদের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ হিসেবে বিবেচিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ওই নারী ফুটবলারদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে অভিহিত করা হয় এবং তাদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দেয়।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ