সরিষাবাড়ীতে ধোপাদহ–জুলারখুপী সড়ক সংস্কার, জনদুর্ভোগ লাঘব
তৌকির আহাম্মেদ হাসু, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাদহ–জুলারখুপী সড়কে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ। বর্ষা মৌসুমে কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া সড়কটিতে নিজ উদ্যোগে রোববার দুপুরে ইটের আবিস ফেলে সংস্কারের ব্যবস্থা করেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, ধোপাদহ–নয়াপাড়া কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ডি.জে.এস আইডিয়াল স্কুল (জুলারখুপী) হয়ে ভূইয়া বাড়ি–তালতলা পুকুরপাড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কটি বর্ষা এলেই কাদায় পরিণত হয়। ফলে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী ও বৃদ্ধদের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল।
এলাকাবাসীর এই করুণ দশার কথা জানতে পেরে ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সড়কটিতে ইটের আবিস ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন।
চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছের এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা জানান, বর্ষার কাদাময় সড়কে দীর্ঘদিন ধরে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে আপাতত চলাচলের পথটি অনেকটাই সুগম হয়েছে। তবে সাময়িক সংস্কারের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত স্থায়ীভাবে পাকাকরণের জোর দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, "মানুষের দুর্ভোগের সময় পাশে দাঁড়ানোই একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব। বর্ষার কাদা ও পানিতে এই সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীদের চলাচলে চরম কষ্ট হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসার পরই নিজ উদ্যোগে ইটের আবিস ফেলে আপাতত পথটি চলাচলের উপযোগী করেছি।"
তিনি আরও বলেন, "সাময়িক সংস্কার কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। সড়কটি এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি স্থায়ীভাবে পাকাকরণের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
এআইএল/সকালবেলা
|