ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বরগুনার বেতাগী সরকারি কলেজের প্রধান ফটক এলাকায় এখন উজ্জ্বল লাল কৃষ্ণচূড়ার বিহ্বলতা। বসন্তের বিদায় আর গ্রীষ্মের আগমনে গাছে গাছে উজ্জ্বল লাল ফুলের বড় বড় থোকা এক নান্দনিক দৃশ্যের অবতারণা করেছে। চার পাপড়ি বিশিষ্ট এই ফুলের ডগায় কমলা ও হলুদের সংমিশ্রণ পুরো এলাকায় এক অপার্থিব সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়েছে। কৃষ্ণচূড়ার এই নান্দনিক দৃশ্য দেখে পথচারীরা যেমন বিমোহিত হচ্ছেন, তেমনি ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝে এটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক টুকরো স্বস্তি ও প্রশান্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলেজের প্রবেশপথজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটির ডালে ডালে ফুটে থাকা লাল ফুলগুলো দূর থেকেই পথচারীদের নজর কাড়ছে এবং ঝরে পড়া পাপড়িগুলো মাটির বুকে তৈরি করেছে লাল গালিচার মতো এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
প্রতিদিন সকাল-বিকেল ক্লাসে আসা-যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছেন এই সৌন্দর্য। অনেকে এই মুহূর্তগুলো ফ্রেমবন্দি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করছেন। কলেজের শিক্ষার্থী বনানী বিশ্বাস জানান, পড়াশোনার চাপের মধ্যে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাদের মানসিক প্রশান্তি জোগায়। ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক তরুণ কান্তি হালদার মনে করেন, এমন মনোরম পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও ইতিবাচক মনোভাব বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, বিকেলের সোনালি আলোয় কৃষ্ণচূড়ার উজ্জ্বলতা আরও বহুগুণ বেড়ে যায়, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে তুলছে। বেতাগী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সমর কুমার বেপারী বলেন, কলেজের ফটকের এই কৃষ্ণচূড়া এখন শুধু একটি ফুল নয়, বরং এটি পুরো এলাকার নান্দনিকতার প্রতীক এবং মানুষের ভালো লাগার এক অনন্য উৎস হয়ে উঠেছে। তবে এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে গাছের ডাল না ভাঙা ও ফুল না ছেঁড়ার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ