ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত এক চরম উত্তেজনাকর মোড় নিয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকো ও মিডল ইস্ট মনিটরের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে নিতে ইসরায়েলকে মাত্র এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং মার্কিন অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় ওয়াশিংটন এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের ১৫তম দিনে মার্কিন প্রশাসন অনুধাবন করেছে যে, নিকট ভবিষ্যতে তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো সম্ভব নয়। পলিটিকোর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, ইরানে বড় ধরনের স্থল অভিযান বা দেশজুড়ে তীব্র গণবিক্ষোভ ছাড়া বর্তমান সরকারকে সরানো অসম্ভব—যার কোনোটিই এই মুহূর্তে সফল হওয়ার লক্ষণ নেই।
সংঘাত শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের দাম অন্তত ৬০ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্পের ‘সমৃদ্ধির স্বর্ণযুগ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি এখন ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির হুমকিতে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মজুত (SPR) থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
হিসাবের ফারাক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে:
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান: যুদ্ধের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের ক্ষতি নিয়ে ওয়াশিংটন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা চায় অতি দ্রুত এই সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে।
ইসরায়েলের দাবি: অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করছে যে তারা সামরিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে এবং লক্ষ্য অর্জনে তারা আরও সময় চায়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ ৪০ জন নেতার মৃত্যুর পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। এর জবাবে ইরান পাল্টা হামলা শুরু করলে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালী' কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা বিশ্বজুড়ে তেলের সংকটকে ত্বরান্বিত করেছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ