ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা: ফরিদপুর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূলে যৌথ বাহিনীর বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে রেলওয়ে বস্তি ও বিভিন্ন আবাসিক হোটেল থেকে ২০ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন ২ নম্বর কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি এবং শহরের একাধিক আবাসিক হোটেলে এই অভিযান চলে। মেজর রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করেন।
আটককৃতদের ফরিদপুর সার্কিট হাউসে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত দুটির কার্যক্রম ছিল নিম্নরূপ:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানার আদালত: শিমু, অঞ্জনা, তামান্না, মথুরা রানী মন্ডল, রুনা বেগম, শারমিন আক্তারসহ আটককৃত নারীদের প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের আদালত: লিটন হোসেন, শাকিল আলম ও শরিফ আবিদ হোসেন দিনারসহ অন্যান্য পুরুষদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক এবং অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন:
“ফরিদপুরে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”
যৌথ বাহিনীর এই ঝটিকা অভিযানে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শহরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও এখন প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে এলাকাগুলো শান্ত হবে বলে তারা আশা করছেন।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ