ইসমাঈল আযহার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

৪৭৫০০ কেজি খেজুর নিলামে উঠেছে চট্টগ্রাম কাস্টমসে

৪৭৫০০ কেজি খেজুর নিলামে উঠেছে চট্টগ্রাম কাস্টমসে

চট্টগ্রাম কাস্টমসে দ্বিতীয় দফায় অনলাইন নিলামে উঠেছে (ই-অকশন) ১০ হাজার ২৫৮ কার্টনে থাকা ৪৭ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৪৭ টন) বিভিন্ন ধরনের আমদানি করা খেজুর। 

এবার এসব খেজুরের সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ১৬৯ টাকা। এর আগে এসব খেজুর গত ১৫ ডিসেম্বর প্রথম দফায় অনলাইন নিলামে উঠলেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত দরদাতা। ফলে দ্বিতীয় দফায় নিলামে তোলা হয়েছে। অনলাইন নিলামে তোলার আগে এসব খেজুর দুই দফায় প্রকাশ্যে নিলামেও তোলা হয়েছিল। সেখানেও কাঙ্ক্ষিত দাম মেলেনি।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ৪৭ হাজার ৫০০ কেজি বিভিন্ন ধরনের খেজুর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) অনলাইন নিলামে তোলা হয়েছে। ওইদিন থেকে অনলাইনে প্রস্তাবিত দরমূল্য নেওয়া শুরু হয়েছে। দরমূল্য নেওয়া হবে আগামী ১১ জানুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত। অনলাইন নিলামে বিডারদের (নিলামে অংশগ্রহণকারী) জন্য পণ্য প্রদর্শন করা হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। 

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্র জানিয়েছে, নগরীর ফিরিঙ্গি বাজারের ব্রিজঘাট রোডের সালাম বিল্ডিংয়ের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসএসএ করপোরেশন ১০ হাজার ২৫৮ কার্টনে ৪৭ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৪৭ টন) বিভিন্ন ধরনের খেজুর আমদানি করে। 

এর মধ্যে আজওয়া, মেজদুল ১৫ হাজার কেজি এবং সুগাই, সাফাউই, মাসরুক, সুকারি ও লুবনা খেজুর ছিল ৩২ হাজার ৫০০ কেজি। এসব খেজুর চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দুইবার প্রকাশ্যে নিলাম এবং একবার অনলাইন নিলামে তোলার পরও পাওয়া যায়নি কাঙ্ক্ষিত দাম। 

প্রথমবার অনলাইন নিলামে এসব খেজুরের সংরক্ষিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ১৭২ টাকা। এবার দ্বিতীয় দফায় অনলাইন নিলামে এসব খেজুরের দাম কিছুটা কমিয়ে রাখা হয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ১৬৯ টাকা।

জানা গেছে, পচনশীল পণ্যের দ্রুত নিলাম আয়োজনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) স্থায়ী আদেশ জারি করে। কিন্তু কাস্টমসের নানা জটিলতায় সঠিক সময়ে এসব পণ্য নিলামে তোলা যাচ্ছে না। ফলে বিগত সময়ে অনেক খাদ্যপণ্য পচে যাওয়ায় তা মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এতে সরকার রাজস্ব পাওয়া দূরে থাক, উল্টো পণ্য ধ্বংসে অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল বলেন, ‘গত ১৫ ডিসেম্বর প্রথম অনলাইন নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। তবে নিলামে ভিত্তি মূল্যের ৬০ শতাংশ দর পড়েনি। এ কারণে দ্বিতীয় নিলামের আয়োজন করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারককে সরবরাহ নিতে হয়। এ সময়ের মধ্যে কোনও আমদানিকারক পণ্য না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টমস। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় আনা জব্দ করা পণ্যও নিলামে তোলা হয়। ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর করতে পারছে না কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশ রক্ষায় তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা!

1

এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের ফল ১৬ নভেম্বর

2

মোবাইল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ফের পুলিশের সংঘর্ষ, উত্তপ্ত কারওয়ান

3

বাবুগঞ্জে ইউপি সদস্যের ছেলেকে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

4

এনসিপিকে ১০টি আসন ছাড়তে রাজি বিএনপি

5

দেশে ফিরে ২৭ ডিসেম্বর ভোটার হবেন তারেক রহমান

6

ঢাকায় বাড়ছে শীত, তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি

7

নতুন বছর মহান রবের কল্যাণের বাহন হোক: জামায়াত আমির

8

‘জুলাই ঐক্য’র ‘মার্চ টু হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

9

দাবি আদায়ে শহীদ মিনারে প্রাথমিক শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

10

ইন্তেকাল করলেন মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান

11

নৈরাজ্য করতে এলে গুলির নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

12

ফাতেমার দেড় দশকের এক মানবিক ও অনুগত ইতিহাসের অবসান

13

টেস্টের নামে শিক্ষার্থীদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

14

পদত্যাগ করলেন বিটিটিসি’র চেয়ারম্যান মইনুল খান

15

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় নতুন যেসব দেশ

16

হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তারেক রহমান

17

নীলফামারীতে শৈত্যপ্রবাহের আভাস, তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৪

18

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করবে প্রসিকিউশন

19

প্রধান বিচারপতির কাছে ৩০০ বিচারক চেয়েছেন সিইসি

20
সর্বশেষ সব খবর