
মোঃ মুকিম উদ্দিন (জগন্নাথপুর প্রতিনিধি): সিলেটে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক শ্যামল সিলেটের ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল ও সিলেটভিউ২৪ ডটকমের স্টাফ রিপোর্টার নিবেন্দু তালুকদারের ওপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
এতে জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রিয়াজ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমীনসহ নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালন এবং তথ্য জানার নাগরিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তাঁরা।
প্রতিবাদবার্তায় আরও নিন্দা জানান—সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবীর ফরীদি, সহ-সভাপতি ফারুক আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসাইন ও মোঃ মুকিম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাসেল আহমদ, দপ্তর সম্পাদক সাহাব উদ্দিন রাহুল, মানবাধিকার সম্পাদক শাকিল আহমদ, কার্যকরী কমিটির সদস্য বাবুল খান মুন্না, মোঃ মঈন উদ্দিন, ইকবাল হোসাইন, হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া, দোলন মিয়া, আকমল হোসেন, জুবায়ের হোসেন, নাজিম উদ্দিন, নাঈম হোসাইন, জীবান তালুকদার ও নাঈম ফালাখ।
উল্লেখ্য, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার শিকার হন ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল ও সংবাদকর্মী নিবেন্দু তালুকদার। গত বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় অপারেশন থিয়েটারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন।
অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলার পর তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই উল্টো ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি শুরু করেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা।
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করারও তাগিদ দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
এআইএল/সকালবেলা